মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

টেকপ্রফিট এবং স্টপলস এর কিছু টিপস

টেকপ্রফিট এবং স্টপলস এর কিছু টিপস
***************************
গতকাল এক ছোটভাই চ্যাটে বলল যে তার প্রায় টিপির কাছাকাছি গিয়ে পরে স্টপ লস হিট করে। আসলে এটা আমাদের সবারি কমন সমস্যা প্রায় সময়ই এটা হয়ে থাকে। স্টপলস হিট করে পরে টিপি পার হয়ে যায়। আবার টিপির কাছাকাছি গিয়েও স্টপলস হিট করে এমন নজির আছে।
এই সমস্যার সমাধানে আমি বেশকিছু জিনিস ব্যবহার করে সুফল পাচ্ছি সেগুলা এখানে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।

টিপিকে ভাগ করুন। পার্শিয়ালি টিপি নিয়ে নিন।
*******************************
http://prntscr.com/1byl7s ম্যাসেজটি দেখুন, এখানে তার টেকপ্রফিট ছিল ১১০ পিপ, মার্কেট ৯০ পিপ প্রফিটে যাবার পর আবার লাষ্টে তাকে ৪০ পিপ লসে ক্লোজ করতে হয়েছিল।
এক্ষেত্রে আমি যা করতাম তা হলো আমি এখানে ২ টি টিপি দিতাম। ৬০ পিপ এ টিপি ১ ১১০ পিপে টিপি ২ টিপি ১ হিটকরার পর আমার স্টপলস চলে আসতো এন্ট্রি পয়েন্ট এ।
অর্থাত আমার ট্রেডটা যদি .১০ এর হতো তাহলে আমি .০৫ ৬০ পিপে ক্লোজ করে বাকি .০৫ থাকতো সেটার স্টপলস থাকতো এন্ট্রি পয়েন্ট এ।
তাহলে কি লাভ হলো। আমার ৬০ পিপ প্রফিট বুকড হয়ে গেল। আর স্টপলস এন্ট্রি পয়েন্ট এ দেবার কারণে স্টপল হিট করলেও আমার কোন লস হলোনা।

টেকপ্রফিট আর স্টপ লসের জন্য সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স পিভট পয়েন্ট দেখা জরুরী
*****************************************************
অনেকে ট্রেড দিয়েই হিসাব করা ছাড়াই আন্দাজে ২০/৫০ পিপ স্টপ লস দিয়ে রাখে। পরে সেই স্টপলস হিট করে। আমার মতে স্টপলস সেটকরার সময় অবশ্যই সাপোর্ট রেজিস্টান্স দেখে নিরাপদ দূরত্বে স্টপলস সেট করা ভাল। তাহলে প্রায় সময় ঘটনা ঘটে স্টপলস হিট করে টিপির কাছে চলে আসে এই সমস্যাটা আর হবেনা। আমি পার্সোনলি স্টপলস সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স দেখে তার পরো হিসাবের বাইরে ৫ পিপ পরে দেই। এরফলে আমার স্টপলস কমই হিট করে।

ট্রেন্ডের বিপরীত ট্রেড স্টপলস হিট করাবেই
*****************************
ট্রেড দেয়ার সময় ট্রেন্ডটা খেয়াল রাখতে হবে। কারণ ট্রেন্ডের বিপরীতে ট্রেড দিলে আপনি টিকতে পারবেননা। মার্কেট যখন ট্রেন্ডে চলে তখন সে তার ট্রেন্ড কিন্তু শেষ করবে। তাই ট্রেন্ডি মার্কেটে স্টপলস বেশি হিট হয়। রেঞ্জি মার্কেটে কম হয়।

সবার জন্য শুভকামণা। ফরেক্স ট্রেডারদের একটা স্ট্রং কমিউনিটির প্রত্যাশায় শেষ করছি। ফরেক্স ট্রেড একটা স্টান্ডার্ড বিজনেস। শিক্ষিত মানুষের বিজনেস। তাই সবার ব্যবহারও সেরকমই হবে আশা করি।
 
 
                                                                                              collected

কোথায় যেতে পারে গোল্ড?

কোথায় যেতে পারে গোল্ড?
আমার জানামাতে অনেক বড় বড় ট্রেডার গোল্ড ট্রেড করতে গিয়ে বিশাল লসের সম্মুক্ষীন হয়েছে। ট্রেডারদের মনে একটা ভ্রান্ত ধারনা ছিল যে গোল্ড এর প্রাইস সবসময় বাড়তে থাকবে। অসলে এটা টিক নয়। আমি কিছু দিন আগে একটা Article পোস্ট করেছিলাম যে কেনো প্রাইস মুভমেন্ট হয়। ওই Ariticle অনুসাবে বলা যায় মার্কেটে এখন প্রচুর সেলার রয়েছে অথ্যাৎ গোল্ড এর সাপ্লাই বেড়ে গেছে।
কিন্তু আসলে কোথায় যাচ্ছে গোল্ড? আমারা জানি যে গোল্ড Commodity forex market এ যোগ করা হয় ২০০৯ সালে এবং মাত্র ৪ বছর ট্রেড করা হচ্ছে এবং আপনি যদি ইতিহাস দেখেন যে গোল্ডে অনেক বড় বড় সেলার ( বিশেষ করে ব্যাংক) তাদের ট্রেড হোল্ড করে রেখেছে ২০১০ সালে যেটা আমি বুঝাতে চেষ্টা করেছি আমার চার্টে। অন্যদিকে US Fundamental Gold a বিশাল ইমপেক্ট ফেলতেছে।
গোল্ড Already ৩ বছর লো Touch করেছে ( ২০১০ সাল)। So I can say that gold this year may touch Key Support of 2010 সালের consolidation 1175 টাস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যেটা আমি আমার টার্টে বোঝাতে চেষ্টা করেছি।
আমার অনেক Foreigner Trader Friend আছে ওদের মতে গোল্ড অনেক পড়বে। এমনকি ১১০০ Touch করতে পারে।
আপনি আমার চিত্রে দেখবেন ১৩৮৯ থেকে বিশাল একটা Breakout হয়েছে যেটা গোল্ডকে অনেক নামাতে পারে।
আমার মাতে গোল্ড খুবই Risky কারন এটার এখন মার্কেট ট্রেন্ড পরিষ্কার না ( ৩ বছর এ যেটা সম্ভব না), তাই আমি বলব, এখন Long term করা অনেকটা Risky Issue। অবার শুনি অনেকে নাকি গোল্ড Buy দিচ্ছে,,, বুঝি না, ?
Market a কোন Buy conformation নেই অন্যদিকে sell trade করাও অনেক রিস্কি বিষয় কারন Gold anytime can turn?
So stay away form gold.. If I get any conformation then I will let you know. Be safe and trade safely. Trade in currency and obviously high volatile pair like EURUSD, GBPUSD.
Next Post: Scalping করার নিয়ম এবং সতর্কতা :)

Check this chart: http://prntscr.com/1bzbh9

শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৩

লিভারেজ - বন্ধু চিনতে ভুল করবেন না!

কথায় আছে, আমেরিকা যার বন্ধু হয়, তার কোনো শত্রুর দরকার হয় না। কথাটা নেহায়েত মিথ্যা নয়। খুব বেশি কস্ট করতে হবে না, পাশের দেশ পাকিস্তানই একটা জলন্ত উদাহরন। তাই বলে কি আমরা যেচে পড়ে আমেরিকাকে শত্রু বানাবো? বর্তমান পরিস্থিতিতে, নিশ্চয়ই নয়।

ফরেক্স মার্কেটে লিভারেজ অনেকটা আমেরিকার মতই। বেশি লিভারেজ যেমন ভাল না, তেমনি আবার লিভারেজ ছাড়া আমাদের চলেও না।

তাহলে জেনে নেয়া যাক, লিভারেজ এমন কি জিনিস যেটা ছাড়া ফরেক্সে চলা সম্ভব না? (হয়ত সম্ভব, কিন্তু খুব কঠিন। অনেকটা আমেরিকার অবরোধের সাথে যুদ্ধ করার মত)

তার আগে জানুন লিভারেজ কেন দরকার। আপনি যদি ফরেক্সে নতুন হয়ে থাকেন, তাহলে এটাও বুঝবেন লিভারেজ কি জিনিস।

ফরেক্স মার্কেটের একটা বড় সমস্যা হোল (সমস্যা মানে আমাদের ট্রেডারদের জন্য সমস্যা) প্রতিদিনকার মার্কেট মুভমেন্ট খুবই কম। আপনি পিপস হিসাব করতে শিখেছেন। কখনও কি খেয়াল করে দেখেছেন মার্কেট একদিনে কত পারসেন্ট মুভ করে? :|

ঝটপট কিছু অঙ্ক করে নেই। ধরুন, কোনো একদিন EUR/USD এর সর্বনিম্ন প্রাইস ছিল ১.২২০৫ ও দিনের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.২৩২৫ (১২০ পিপস). তাহলে, মার্কেটের শতকরা সর্বোচ্চ পরিবর্তন কত ছিল? খুব সহজভাবে হিসাব করলে, (১.২৩২৫-১.২২০৫)/১.২২০৫ অথবা ০.০০৯৮ অথবা ০.৯৮ পারসেন্ট।

এই হিসাবটা করা হয়েছে সর্বোচ্চ মুভমেন্ট ধরে। প্রকৃত মুভমেন্ট হবে আরও কম এবং ((দিন শুরুর প্রাইস-দিন শেষের প্রাইস)/দিন শুরুর প্রাইস) যা এর থেকে আরও কম।

এই হিসাবটা দেখালাম শুধুমাত্র একটি কারনে। তা হলো ফরেক্স মার্কেটের প্রতিদিনকার মুভমেন্ট যে অনেক কম তা দেখানোর জন্য। অধিকাংশ পপুলার পেয়ারই প্রতিদিন ১-২ শতাংশ বা তার কম মুভমেন্ট করে। ঢাকা স্টক মার্কেটের দিকে একবার তাকান, প্রতিদিন স্টকের দাম করে ৫%-১০% এমনকি আরও বেশি বাড়ে বা কমে। আমরা ফরেক্সে হিসাব করি পিপস দিয়ে। ২-৩ শতাংশ মার্কেট মুভমেন্ট হলেই অধিকাংশ পেয়ার ৩০০-৪০০ পিপস বেড়ে যায়। আর তাই অনেক মনে হয় আমাদের কাছে। (আসলেই কি?)

তাতে আমার সমস্যা কি?

ভেবে দেখুন, আপনি ১০০০ হাজার টাকা দিয়ে কিছু কিনলেন পরে বেশি দামে বিক্রি করার জন্য। এখন এই জিনিসের দাম প্রতিদিন ১-২ টাকা করে বাড়লে/কমলে ভালো নাকি ১০-২০ টাকা করে বাড়লে/কমলে ভালো? উঠানামা যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি লাভ করতে পারবেন যদিও লসটাও একটু বেশিই হবে। কিন্তু, লস যতই হোক, ফতুর তো এর হবেন না। কারন, ওই জিনিসের দাম তো কখনো শূন্য হবে না। আর চাইলেই আপনি একটা নির্দিষ্ট দামের কমে তা বিক্রি করে দিতে পারবেন অথবা দাম বাড়ার সময়, কাঙ্খিত দাম না বাড়া পর্যন্ত তা ধরে রাখতে পারবেন। সুতরাং, দ্রুত বাড়লে কমলেই আপনার লাভ।

ফরেক্স মার্কেটের কম মুভমেন্টের জন্য যেহেতু নিজের টাকায় খুব বেশি লাভ করা সম্ভব না, তাই অধিকাংশ ট্রেডারই ফরেক্সে লিভারেজ ব্যবহার করে যার অপর নাম ঋণ অথবা লোন এবং যেটা সব ফরেক্স ব্রোকারই অফার করে। এর ফলে অল্প মার্কেট মুভমেন্ট আমাদের বেশি লস/লাভের সুযোগ তৈরি করে। (লসটা আগে লিখলাম কারন ফরেক্সে এই জিনিসটাই সবাই বেশি করে)

সুতরাং, আপনার ক্যাপিটাল যদি ১০০০ ডলার হয় আর আপনি যদি প্রতিদিন .৫০ পারসেন্ট মার্কেট মুভমেন্ট ধরতে পারেন, তাহলে আপনি শুধু নিজের টাকা দিয়ে ট্রেড করলে লাভ হবে ৪.৯-৫ ডলার। এটা খুবই কম। কেনোনা এভাবে আপনাকে প্রায় ২০০ ট্রেড উইন করতে হবে (লাভ থেকে সব লসিং ট্রেড বাদ দিয়ে ২০০ ট্রেড হতে হবে, উদাহরণস্বরূপ ৫০০ উইন, ৩০০ লসিং ট্রেড = ৮০০ ট্রেড) ব্যালেন্স দ্বিগুণ করার জন্য।

আপনি যদি ১:১০ লিভারেজ ব্যবহার করেন (১০ গুন ঋণ), তাহলে একই ক্যাপিটাল এ আপনার প্রফিট হবে ৫০ ডলার।

আপনি যদি মনে করেন, এটাও কম, তাহলে ১:১০০ লিভারেজ ব্যবহারে আপনার লাভ হবে ২০০ ডলার একই ট্রেডে।





২০০ ডলার প্রফিট শুধুমাত্র একটা ট্রেডে? তাও আবার মাত্র ১০০০ ডলারে? এর থেকে তো ১:১০০০ ব্যবহার করা ভালো। এক ট্রেডেই জিতলে কম্ম খতম। অ্যাকাউন্ট তিনগুন!

এরকম লাভের কথা ভাবতে ভালই লাগে। তার আগে জেনে নিন DSE তে শুধুমাত্র ১:২ লিভারেজ ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারী ফতুর হয়ে গেছে। আর আপনি নিতে চান ১ টাকা মূলধনে ১০০০ টাকা ঋণ? সইতে পারবেন তো?

প্রায় প্রত্যেক ট্রেডারই এটা সইতে পারে না। যার ফলাফল, হার্ট অ্যাটাক মানে অ্যাকাউন্ট জিরো। অতিরিক্ত লিভারেজ ব্যবহার করা ৯৯ শতাংশ ট্রেডারের ফতুর হওয়ার একমাত্র কারন। ভেবে দেখুন, আপনি কি ট্রেডিং শিখেছেন বলে মনে করেন যে ১ টাকায় ১০০০ টাকা ঋণ নেয়ার সাহস করবেন?

তাহলে কতো লিভারেজ ব্যবহার করা ভালো?

নির্ভর করে কত দ্রুত আপনি আপনার ব্যালান্স বৃদ্ধি করতে চান।

বর্তমান প্রাইস (১.২২৭৮) এ eur/usd তে ০.০১ স্ট্যান্ডার্ড লটে (পার পিপস ১০ সেন্ট করে) একটা বাই ট্রেড দিতে আপনার লাগবে ১২২৭.৯৬ ডলার। পার ট্রেডে ৫০ পিপস লাভ করলে, লাভ হবে ৫ ডলার। অ্যাকাউন্ট দ্বিগুণ করতে লসিং ট্রেড থেকে ২৪০ উইনিং ট্রেড এরও বেশি প্রয়োজন হবে, দরকার হবে ১২,২৭০ পিপস। এভাবে ট্রেড করলে, আপনি কোনোদিন ফতুর হবেন না। (শর্ত প্রযোজ্যঃ এই প্রাইসেই কিনতে হবে। প্রাইস যত বাড়বে, তত বেশি ক্যাপিটাল লাগবে)

ফরেক্সে আর ফতুর হতে চান না? তাহলে একবার ১:১ লিভারেজ ব্যবহার করে দেখুন না কি হয়! যদিও এর জন্য কিছুটা বড় ক্যাপিটাল দরকার। ক্যাপিটাল মাঝারি হলে ১:১০, ক্যাপিটাল ছোট হলে ১:৫০, সর্বোচ্চ ১:১০০ ব্যবহার করতে পারেন।

যদি লিভারেজ নিয়ে জটিল হিসাবে যেতে না চানঃ

সবসময় অ্যাকাউন্ট এর ১-৫% রিস্ক নিন প্রতিটি ট্রেডে। মানে, ১০০০ ডলার ক্যাপিটাল এ ১০-৫০ ডলার রিস্ক প্রতি ট্রেডে। ১-৩% যথেষ্ট নিরাপদ। তাহলে আর আপনাকে লিভারেজ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। এটাই নিশ্চিত করবে যে আপনি কম লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করছেন।

মনে রাখবেন, আমেরিকা বা লিভারেজ ছাড়া আমাদের চলবে না। আর তাই একে শত্রু না ভেবে নিরাপদ দূরত্বে থাকাই উত্তম। আর যদি প্রিয় বন্ধু ভেবে কাছে টানতে চান, তাহলেই ...... :no:

বন্ধু চিনতে ভুল করবেন না!
                                                                                                 Collected from BDPIPS

শনিবার, ১ জুন, ২০১৩

ফরেক্স ব্রোকার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ন বিষয়

ব্রোকার টাইপঃ
ব্রোকার কোম্পানিদের মূল উদ্দেশ্য হল ক্রেতা এবং বিক্রেতার সন্নিবেশনে স্প্রেড এর মাধ্যমে কমিশন আয় করা।
ফরেক্সে ২ প্রকার ব্রোকার বিদ্যমানঃ
• ১। ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার (Market Maker Broker)
• ২। নো-ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার (NDD Broker)

ডিলিং ডেস্ক (Market Maker) ব্রোকারঃ
এই প্রকার ব্রোকার Route তথা একটি Way’র মাধ্যমে আপনার ট্রেডটি ওপেন করে, এবং তাদের স্প্রেড সিস্টেম সাধারণভাবে ফিক্সড করা থাকে। ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার মূলত স্প্রেডের মাধ্যমে ইনকাম করে এবং ট্রেডারদের প্রত্যেকটি ট্রেড ওপেন এর বিপরীতে নিজেরা আরেকটি ট্রেড ওপেন করে থাকে। এই ব্রোকারকে Market Maker Broker ও বলা হয়ে থাকে কারন তারা ‘মার্কেট মেইক’ করে অর্থাৎ যদি কোন ট্রেডার কোন কারেন্সি বায় অর্ডার করে তখন ব্রোকার ঐ কারেন্সির আরেকটি সেল (বিপরীত) অর্ডার করে এবং ট্রেডার যখন সেল অর্ডার করে তখন ব্রোকার তার বিপরীত বা বায় অর্ডারটি করে। এই নিয়মে ট্রেডাররা প্রতিনিয়ত একটা প্রাইস চেঞ্জ এর মধ্যে থাকে বা ট্রেডাররা বেশিরভাগ সময়ে রিয়েল কৌওটে অর্ডার করতে পারে না। তাই অর্ডার এর ক্ষেত্রে অনেক হয়ত লক্ষ্য করেছেন যে Re-Quote কথাটি আসে। মূলত এরা হল রিটেইল ব্রোকার আর এই সকল ব্রোকার আমাদেরকে কম ইনভেস্টমেন্টে ট্রেড করার সুবিধা দিচ্ছে বলে ওরাও বিনিময়ে কিছু নিয়ে যাচ্ছে। তবে এইসব ব্রোকাররা সব সময় চেষ্টা করে ট্রেডারদের রিয়েল কৌওটে অর্ডার মেইক করে দিতে। এই নিয়মে অর্থাৎ Hedge এর মাধ্যমে ট্রেডার এবং ব্রোকার উভয় সুবিধা লাভ করে থাকে।

নো-ডিলিং ডেস্ক (NDD) ব্রোকারঃ
এটা সাধারণ নিয়ম যেখানে ব্রোকাররা ট্রেডার এর ট্রেড এর বিপরীতে কোন ট্রেড ওপেন করে না শুধুমাত্র ওপেনকৃত ট্রেড থেকে কমিশন লাভ করে থাকে। তাই এইসকল ব্রোকারের ট্রেড অর্ডারে অতিরিক্ত কোন সময় লাগে না এবং Re-Quote করতে হয় না ট্রেডার রিয়েল কৌওটে অর্ডার মেইক করতে পারে। অনেকের মনে এখন প্রশ্ন জাগছে তাহলে আমরা NDD ব্রোকারে কেন ট্রেড করি না। আসলে NDD ব্রোকারগুলোর ট্রেডিং ইনভেস্টমেন্ট মোটামুটি হাই থাকে যার কারনে আমাদের মত লো-ইনভেস্টমেন্ট যাদের তারা ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার ছাড়া কিছু চিন্তা করি না। তবে বিষয়টাতে খুব চিন্তার কিছু নাই কারন আপনি ভালো ট্রেডার হয়ে গেলে এই সব পার্থক্য আপনাকে খুব একটা ভাবাবে না।
নো-ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারের মধ্যে আবার ২ ধরণের ব্রোকার আছেঃ
• ১। Electronic Communications Network(ECN)
• ২। Straight Through Processing (STP)
ECN: নো-ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারের একটি টাইপ হল ECN ব্রোকার। আসলে ট্রেডিং মেকানিসম এর পার্থক্যর কারনে এইসব ব্রোকারের সৃষ্টি, এই প্রকার ব্রোকার অর্ডার মেইক করে ডিরেক্টলি ক্লায়েন্ট টু ক্লায়েন্ট রিস্পন্স কনসেপ্টে।
STP: আর এই প্রকার ব্রোকার অর্ডার মেইক করে ইন্টারব্যাংক প্রাইস আক্সিস্টিং লেভেলের মাধ্যমে সরাসরি ক্লায়েন্ট টু ব্যাংক তথা লিকুডিটি প্রোভাইডারদের মাধ্যমে।
                                                                                               collected