সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৩

ফিবোনাক্কি

ফিবোনাক্কি হল একটা সিম্পল সিরিজ নাম্বার। যারা বিজ্ঞান এর ছাত্র তারা খুব ভালো মত জানার কথা এই বেপারে। আসলে ফিবনাক্কি কিন্তু শুধু ফরেক্স এর জন্য না। এটা আশলে একটা ম্যাথামেটিক্যাল টার্ম যেটা দিয়ে মুলত আরো অনেক কিছুর গণনা করা হয়। ১ + ১ কত ? ২না ?। হ্যা। ১ থেকেই ফিবোনাক্কির যাত্রা শুরু। যেমন ১+১ = ২, ১+২ = ৩, ২+৩= ৫, ৩+৫=৮, ৫+৮=১৩, ৮+১৩=২১, ১৩+২১=৩৪, ২১+৩৪=৫৫, ৩৪+৫৫=৮৯, ৫৫+৮৯=১৪৪ ............... এভাবেই যায়। তাহলে সিরিজ টা কি দারালো ? ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫, ৮৯, ১৪৪.....। ভাই আমি অঙ্কে অনেক কাচা। এতো অংক বুঝাতে পারবো না। আপনাদের ও মুল জায়গায় নিয়ে আসি। মুল জায়গা বলতে গোল্ডেন নাম্বার বুঝায়। গোল্ডেন নাম্বার সিরিজ গুলোই আমাদের দরকার। যেমন ফিবোনাক্কি রিট্রেসমেন্ট লেভেল হচ্ছে 0.236, 0.382, 0.500, 0.618, 0.764। ফরেক্স এ মুলত সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স, টেক প্রফিট, স্টপ লস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ফিবোনাক্কি ব্যাবহার করা হয়।

কিভাবে ব্যাবহার করে ?
ফরেক্স এ ফিবোনাক্কি ব্যাবহার করার উদ্দেশ্য গুলো আমরা উপরে জানতে পারছি। চার্ট এনালাইসিস করতে এটা মোটামুটি ভালো কাজ করে। অনেকে আবার এটা দিয়ে ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ও বানাইছে। যাই হোক আমরা এটার ব্যাবহার করা দেখি। প্রথমে আপনার মেটা ট্রেডার এর Insert অপশন এ যান। ফিবোনাক্কি পাইছেন ? হ্যা এর মধ্যে দেখেন আরো অপশন আছে। রিট্রেসমেন্ট, টাইম জোন, ফ্যান, আরচস, এক্সপেনশন। একেকটার একেক রকম ব্যাবহার হলেও মুলত এদের ক্যালকুলেশন এক। আর সবচেয়ে বেশি কাজ করে রিট্রেসমেন্ট। আমরা রিট্রেসমেন্ট এ ক্লিক করে নেই। অতপর চার্ট এ গিয়ে দেখি লাস্ট মুভমেন্ট টা কি বুল নাকি বিয়ার। যদি বুল হয় তাহলে লাস্ট লো থেকে লাস্ট হাই তে ফিবোনাক্কি রিট্রেসমেন্ট টেনে নেই। আর যদি বিয়ার হয় তাহলে লাস্ট হাই থেকে লাস্ট লো তে ফিবো টেনে নেই। তারপর দেখেন আপনাকে কিছু লেভেল দেখানো হইছে। লেভেল গুলো ০.০, ২৩.৬, ৩৮.২, ৫০.০, ৬১.৮, ১০০.০, ১৬১.৮ ..........। এখন আমরা এই লেভেল গুলো কে সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স হিসেবে ব্যাবহার করতে পারি। টেক প্রফিট এবং স্টপ লস জোন হিসেবে ও ব্যাবহার করতে পারি। আবার রিট্রেসমেন্ট ধরেও ট্রেড করতে পারি।

ফিবোনাক্কি রিট্রেসমেন্ট-
রিট্রেসমেন্ট ট্রেড অনেকে করে। তবে রিট্রেসমেন্ট ভালো মত না বুঝে ট্রেড করা অনেক ঝুকিপুর্ন। আসলে রিট্রেসমেন্ট কি জানেন ? মনে করেন প্রাইস এখন বুল মুড এ আছে। বুল মুড এ থাকা মানে প্রাইস বারতে থাকা। কিন্তু প্রাইস কি সুধু বারতেই থাকবে ? না। মাঝে মাঝে কিছু প্রাইস কারেকশন হবে। হঠাৎ দেখবেন প্রাইস পরে যাচ্ছে। কিন্তু তার মানে কিন্তু বিয়ার মুড না। কিছুক্ষন প্রাইস কারেকশন হয়ে আবার উপরের দিকে যেতে থাকবে। এই মাঝখানের প্রাইস উপর থেকে নিচে চলে যাওয়া এবং তা পরে আবার উপরের দিকে মুভ করাকেই রিট্রেসমেন্ট বলে। তবে প্রাইস কি সবসময় রিট্রেসমেন্ট করে ? না। প্রাইস যদি সবসময় রিট্রেসমেন্ট করত তবে তো আমি বিল গেটস! প্রাইস অনেক সময় বুল পজিশন থেকে সরাসরি বিয়ার পজিশন এ চলে যেতে পারে। তাহলে বুঝবো কিভাবে এটা রিট্রেসমেন্ট হল কিনা ? হ্যা। অনেকে অনেক পদ্ধতিতে এটা করে কিন্তু সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কার্জকর পদ্ধতি হল ক্যান্ডলস্টিক প্যাটার্ন এবং ট্রেন্ডলাইন ব্রেকআউট। আপনারা কি ক্যান্ডলস্টিক প্যাটার্ন সম্পর্কে জানেন ? না জানলে আপনি এখনো নেংটা টেকনিক্যাল এনালাইসিস্ট। আর কতদিন নেংটা থাকবেন ? কাপড় পরেন নাইলে জঙ্গলে চলে যান।

ফিবোনাক্কি লং রিট্রেসমেন্ট -
একটা উদাহরন দিলে বুঝতে সহজ হয়। তাই একটা উদাহরন হিসেবে নিচে একটা লং রিট্রেসমেন্ট দেখানো হল। এখানে দেখেন ৫০.০ লেভেল এ স্ট্রং সাপোর্ট লেভেল। দুইবার প্রাইস এখান থেকে পুল ব্যাক করছে। এখানে আমরা একটা ট্রেন্ড লাইন ব্যাবহার করছি। এই ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করে প্রাইস উপরের দিকে মুভ করতে শুরু করে। এবং তার সাথে বুলিশ এংগালফিং ক্যান্ডল থাকার কারনে আমরা ধারনা করি যে এটা একটা সফল লং রিট্রেসমেন্ট। ঠিক তাই হল। প্রাইস উপরের দিকে মুভ করল।

http://i.imgur.com/2tdz6.gif

ফিবোনাক্কি শর্ট রিট্রেসমেন্ট-
একটা শর্ট রিট্রেসমেন্ট এর উদাহরন দিলাম। এখানে দেখেন ৩৮.২ এবং ৫০.০ লেভেল এ একটা স্ট্রং রেসিস্টেন্স লেভেল। এই লেভেল ব্রেক করতে না পেরে পুল ব্যাক করে প্রাইস নিচের দিকে মুভ করছে। আমরা একটা ট্রেন্ড লাইন টেনে দিছি। দেখা গেছে বিয়ারিশ ক্যান্ডল এর সাথে ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআউট হইছে। ইটস এ নাইস শর্ট রিট্রেসমেন্ট!

http://i.imgur.com/hpaY2.gif

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৩

Trailing Stop সম্মন্ধে সংক্ষিপ্ত ধারণা

ট্রেইলিং স্টপ হল এক কথায় পরিবর্তনশীল (Mobile) স্টপ লস । আপনি যখন সাধারণ স্টপ লস ব্যবহার করবেন তখন সেটা একটা নির্দিষ্ট প্রাইসে ফিক্সড হয়ে যাবে এবং ট্রেডিং প্রাইস যতক্ষণ ঐ প্রাইসে না পৌঁছাবে ততক্ষণ আপনার ট্রেড লসে ক্লোজ হবে না । ধরেন আপনি ১.৫০০০ তে বাই দিলেন আর স্টপ লস দিলেন ১০০ পিপ নীচে ১.৪৯০০ আর টেক প্রফিট দিলেন ২০০ পিপ উপরে ১.৫২০০ তে । এখন আপনার ট্রেডিং প্রাইস যদি ১.৫১৫০ তে গিয়ে আবার ১.৪৯০০ এ চলে আসে তাহলে কিন্তু আপনার ট্রেড লসে ক্লোজ হয়ে যাবে, যেহেতু আপনার ট্রেড টেক প্রফিট ১.৫২০০ তে পৌঁছাবার আগেই ট্রেড স্টপ লস ১.৪৯০০ কে ছুঁয়ে ফেলেছে ।

কিন্তু আপনি যদি ট্রেইলিং স্টপ ১০০ পিপ ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ট্রেডিং প্রাইস যখন ১.৫০০০ থেকে ১.৫১৫০ তে চলে যাবে তখন স্টপ লস জায়গা বদল করে ১.৪৯০০ থেকে উঠে গিয়ে ১.৫১৫০ এর ১০০ পিপ নীচে অর্থাৎ, ১.৫০৫০ তে চলে আসবে । এখন যদি আপনার ট্রেডিং প্রাইস টেক প্রফিট ১.৫২০০ তে না গিয়ে ১.৫১৫০ থেকে নামা শুরু করে তাহলে কিন্তু স্টপ লস ঐ ১.৫০৫০ তেই রয়ে যাবে । স্টপ লস কিন্তু আগের মত ১.৪৯০০ তে নেমে আসবে না, ফলে আপনার ট্রেড তখন লসে ক্লোজ হলেও ১.৫০৫০ তে ক্লোজ হওয়ার কারনে ৫০ পিপ প্রফিট হবে । ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহারের এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা ।

তবে ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহারের আরেকটা অসুবিধাও আছে, যেমন আপনার ট্রেডিং প্রাইস যদি ১.৫০০০ থেকে বেড়ে গিয়ে ১.৫০৭৫ এ চলে গেল, তখন স্টপ লস জায়গা বদল করে ১.৪৯০০ থেকে উঠে গিয়ে ১.৫০৭৫ এর ১০০ পিপ নীচে অর্থাৎ ১.৪৯৭৫ এ চলে আসবে । এখন যদি প্রাইস ১.৫০৭৫ থেকে কমে ১.৪৯৭৫ এ চলে আসে তাহলে তখন ট্রেড কিন্তু ঐ ১.৪৯৭৫ এ অর্থাৎ, ২৫ পিপ লসে ক্লোজ হয়ে যাবে । তখন কিন্তু স্টপ লস ঐ আগের মতই ১.৪৯৭৫ এ রয়ে যাবে, স্টপ লস ১.৪৯০০ তে নেমে আসবে না, ফলে তখন মনে হতে পারে যে, আগের ফিক্সড স্টপ লস ১.৪৯০০ ঠিকই ছিল । অনেকেই এই কারণে ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করে লস খায় ।

তাই কেউ যদি ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করতে চান তাহলে প্রাইস যখন লসের পরিমাণের (১০০ পিপ) চেয়ে বেশি উঠে যাবে অর্থাৎ, ১.৫১০০ এর উপরে চলে যাবে তখন স্টপ লসের জায়গায় ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে । কারণ, তখন ট্রেড লসে ক্লোজ হলেও সেটা ১.৫০০০ এর উপরে থাকবে, কাজেই আপনার কোন লস হবে না ।

আমি অনেক বড় স্টপ লস আর অনেক বড় টেক প্রফিট ১০০ পিপ, ২০০ পিপ দিয়ে উদাহরণ দিলাম । আপনি কত পিপ ব্যবহার করে স্টপ লস আর টেক প্রফিট সেট করবেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার ।

ট্রেইলং স্টপ ব্যবহারের আরও একটা বড় সুবিধা হল যে, যখন আপনার ট্রেড আপনার অনুকুলে অর্থাৎ, প্রফিটের দিকে যেতে থাকবে তখন কিন্তু সেটি আপনার টেক প্রফিটের পরিমাণকে বাড়াতে থাকবে । মনে আপনার ট্রেডের প্রাইস টেক প্রফিট অর্থাৎ, ১.৫২০০ এর খুব কাছাকাছি চলে আসল তখন এটি আপনার ট্রেডের জন্য নতুন টেক প্রফিট ১০০ পিপ উপরে ১.৫৩০০ তৈরী করবে এবং ১.৫৩০০ এ চলে গেলে নতুন টেক প্রফিট ১.৫৪০০ তৈরী করবে, ১.৫৪০০ এ চলে গেলে নতুন টেক প্রফিট ১.৫৫০০ তৈরী করবে, এভাবে চলতে থাকবে । ধরেন আপনার ট্রেডের প্রাইস ১.৫৬০০ এ চলে গেল, তখন ট্রেইলিং স্টপ আপনার ট্রেডের জন্য নতুন টেক প্রফিট ১.৫৭০০ তৈরী করবে আর স্টপ লস নির্ধারণ করবে ১.৫৫০০ তে । এখন যদি আপনার ট্রেডের প্রাইস ১.৫৬০০ থেকে কমতে কমতে অনেক নীচে নামা শুরু করে তাহলে কিন্তু আপনার ট্রেড ঐ ১.৫৫০০ তে অর্থাৎ, ৫০০ পিপ লাভে ক্লোজ হয়ে যাবে । অথচ ট্রেইলিং স্টপের বদলে শুধু টেক প্রফিট ব্যবহার করলে কিন্তু আপনার ট্রেড মাত্র ২০০ পিপ লাভে ১.৫২০০ তেই ক্লোজ হয়ে যেত ।

কাজেই ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করে ট্রেড করুন, কিন্তু লসের ঐ কারণটা মাথায় রাখবেন, অর্থাৎ, লসের পরিমাণের চেয়ে বেশীতে প্রাইস উঠে গেলেই কেবল ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করবেন । অনেকেই আবার অল্প পরিমাণ ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করেন, এটারও কিন্তু বেশ খারাপ দিক আছে । যেমন, আপনার ট্রেডের প্রাইস ১.৫০০০ থেকে ১.৫৬০০ তে যাওয়ার সময় বেশ কয়েকবার বড় রকমের উল্টা ট্রেন্ড আসতে পারে যার সাইজ ৫০ পিপের বেশী হতে পারে, সেই ক্ষেত্রে ছোট ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করলে স্টপ লস পয়েন্ট খুব নিকটে চলে আসবে এবং আপনার ট্রেড অল্প প্রফিটে ক্লোজ হয়ে যেতে পারে । তাই বড় ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করাটাই উত্তম ।

আমি Day 1 Chart ব্যবহার করি বলে ট্রেইলিং স্টপ ১০০ পিপ নির্ধারণের কথা বলেছি, যারা 4-Hour, 1-Hour, 30-Minute, প্রভৃতি ছোট টাইম ফ্রেমের Chart ব্যবহার করবেন, তারা ছোট ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করবেন । ট্রেইলিং স্টপের পরিমাণ ডেমোতে পরীক্ষা করে রিয়ালে ব্যবহার করাই উত্তম ।

ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করার জন্য প্রথমে Terminal টি ওপেন করতে হবে, এরপরে যেই ট্রেডে ট্রেইলিং স্টপ আপনি সেট করতে চান সেই ট্রেডের উপর মাউস রেখে রাইট ক্লিক করে Default অথবা, Custom ট্রেইলিং স্টপ আপনি সেট করে দিতে পারেন, নীচের মত করে ।

আর যদি সেট করা ট্রেইলিং স্টপ বাতিল করে দিতে চান, তাহলে একই ভাবে Terminal এর ট্রেডের উপর মাউস রেখে ট্রেইলিং স্টপের সাইড উইনডোটি ওপেন করে None ক্লিক করতে হবে ।

Trailing Stop কে সাধারণ ভাবে পয়েন্টের হিসেবে সেট করা হয় । পয়েন্টের হিসাব বুঝতে সমস্যা হলে আপনি আপনার প্রফিটকে পয়েন্টে পরিবর্তন করে সেই পয়েন্ট অনুযায়ী Trailing Stop এর পয়েন্টকে সেট করে দিতে পারেন । প্রফিটকে পয়েন্টে পরিবর্তন করে দেওয়ার জন্য টার্মিনালে দেখানো ট্রেডের উপর মাউস রেখে রাইট ক্লিক করে নীচের মত করে পরিবর্তন করতে হবে ।
                                                 Source of BDPIPS.The largest community in Forex of Bangladesh

রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৩

একজন বিফল ট্রেডার এর ৫ টি বদগুন

আমি এই পোস্ট এ ৫ টি বদগুনের কথা উল্লেখ করবো যেগুলো একেবারে শুরু থেকে ১-১.৫ বছর অতিক্রমকারি ফরেক্স ট্রেডাররা ধারন করে থাকে। এই পোস্ট টি উদ্দেশ্যমুলক এবং এর উদ্দেশ্য এই যে এটি পড়ে এই স্টেজ এর ট্রেডাররা যেন তাদের ভুল/বদগুন গুলি সংশোধন করতে পারে। আশা করি, পোস্ট টির উদ্দেশ্য সফল হবে। :)/>

২% এর বেশী রিস্ক নেয়া
ছবি পোস্ট করা হয়েছে

মানি ম্যানেজমেন্ট ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য কত যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। প্রত্যেক ট্রেডার এর ই শক্তিশালী মানি ম্যানেজমেন্ট ফলো করা উচিত। 'Never Break This Rules'। কখনো মানি ম্যানেজমেন্ট রুলস থেকে সরে আসা উচিত না। এমনকি যদি মনে হয় যে আপনার ট্রেডিং আইডিয়া অনেক শক্তিশালী এবং High Probabilities Trade Set Up, তারপরে ও ২% এর বেশী রিস্ক নেয়া ঠিক না, উচিত না এবং অবশ্যই নেয়া উচিত না। ২% রিস্ক নিলে আপনি ট্রেড করতে পারবেন ৫০ টি। অন্যদিকে ১০% রিস্ক নিলে আপনি ট্রেড করতে পারবেন মাত্র ১০ টি। এখন ভেবে দেখুন আপনি যদি ১০% রিস্ক নেন তবে আপনার এই ১০ ট্রেড এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু, আর যদি ২% রিস্ক নেন তবে ৫০ টি ট্রেড এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। আবার যদি ১% রিস্ক নেন, তবে ১০০ টি ট্রেড এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু।

লোভী ইডিয়ট
ছবি পোস্ট করা হয়েছে

লোভ ফরেক্স ট্রেডার এর প্রধান শত্রু। আমি জানি যে একেবারে লোভহীন মানুষ, যে বলে যে তার কোন লোভ নেই, সে ও যদি ফরেক্স এ ট্রেড করতে আসে, তবে বুজতে পারবে তার কতটুকু লোভ এর মাত্রা আছে। এখানে লোভ মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। লোভ অধিকাংশ ট্রেডার এর ট্রেডিং ক্যারিয়ার এর অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী। লোভ বিসর্জন না দিতে পারলে, ঐ বেক্তি কখনোই একজন ভালো ফরেক্স ট্রেডার হতে পারবে না। এই লোভ তাকে উৎসাহিত করবে বেশি বেশি রিস্ক নেয়ার জন্য। বেশী রিস্ক নিলে এবং ট্রেড এ সফল হতে পারলে না হয় বেশী পাওয়া যাবে। কিন্তু যদি ঐ ট্রেড সফল না হয়ে ব্যর্থ হয়, তবে কিন্তু তেমন ই বড় অংকের লস হজম করতে হবে। আর লস টা যেহেতু বড় অংকের, সেহেতু হজম না হয়ে বদহজম হওয়ার সম্ভাবনাই কিন্তু বেশী।

রিস্কঃরিওয়ার্ড রেসিও না মানা
ছবি পোস্ট করা হয়েছে

ট্রেডিং মানে হল রিস্ক নেয়া। যাইহোক, যদি রিস্ক নিতেই হয় তবে এমনভাবে নেয়া উচিত যে $১০ রিস্ক নিলে যেন $২০ অন্তত রিটার্ন এ পাওয়া যায়। আপনি যদি কোন বেবসায় করতে আগ্রহী হন, তবে কি আশা করবেন যে ৫ লক্ষ্য টাকা ইনভেস্ট করে সময় ও শ্রম খরচ করে ঐ ৫ লক্ষ্য টাকাই শুধু আপনার উঠে আসুক ঐ বেবসায় থেকে ?
প্রপার রিস্ক রিওয়ার্ড রেসিও ফলো না করলে ৫০%-৬০% সফল সিস্টেম ও আপনাকে বিফল করে তুলবে। আর যদি প্রপার রিস্ক রিওয়ার্ড মানেন, তবে ৩০% সফল ট্রেডিং সিস্টেম ও আপনাকে সফলতার দিকে ধাবিত করবে।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস
ছবি পোস্ট করা হয়েছে

আত্মবিশ্বাস খুবই জরুরী একটা বিষয়। আত্মবিশ্বাস ছাড়া কোন মানুষ-ই জীবনে বড় ধরণের ব্যাপার দূরে থাক, ছোট ধরণেরই কিছু করতে পারে না। নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ্বাস না থাকলে পদে পদে পিছনে ফিরে আসতে হয়, সামনে এগুনো যায় না।
কিন্তু আরেকটা ব্যাপার আছে, আত্মবিশ্বাস যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তখন আবার বিরুপ প্রভাব থাকে। অধিকাংশ নতুন ট্রেডার এই সমস্যায় পরে। শুধু নতুন ট্রেডাররাই পরে তা কিন্তু নয়। ৮-১২ মাসের অভিজ্ঞ ট্রেডার ও এই সমস্যায় ভুগে। যখন ৭-৮ টা ট্রেড পরপর সফল হয়ে যায়, তখনি মনে হয় যে নিজে অনেক কিছু হয়ে গেছে ! অনেক বড় ধরণের ট্রেডার হয়ে গেছে। ফলাফল- আগের মতো বিবেচনা না করে পজিশন নেয়া এবং ব্যাল্যান্স জিরো করা অথবা মূল ক্যাপিটাল এর অর্ধেক এর বেশী লস করে ফেলা। অর্ধেক এর বেশী এই কারনে বলেছি যে, বড় ধরণের লস খাওয়ার আগে এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এর প্রভাব যায় না !!!

অতিরিক্ত চিন্তা-ভাবনা করা
ছবি পোস্ট করা হয়েছে

অতিরিক্ত চিন্তা-ভাবনা করা আরেকটি বদ গুন ! অনেক ট্রেডার ওভার-এনালাইজ করতে ভালোবাসে। ওভার-ট্রেড, ওভার-লিভারেজ এমনকি সেইসব নিয়ে ওভার এবং ওভার চিন্তা-ভাবনা করে যা তাদের ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে চলে আসে। চার্ট এনালাইজিং সহ সবকিছুই যে করতে হবে না তা না কিন্তু ! এইগুলো নিয়ে চিন্তা না করলে সে ট্রেডার ই বা হবে কিভাবে !!!
তবে যা করা যাবে না, তা হল 'ওভার'। অর্থাৎ ওভার কোন কিছু করা যাবে না। সব কিছুরই একটা নির্দিষ্ট মাত্রা আছে, সেই মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

উপসংহার এ এসে বলতে চাই, উপরের বদগুনগুলো জাস্ট এড়াতে পারলেই একজন সফল ট্রেডার এর রাস্তায় আপনি হাঁটবেন। আর সেই পথ বেশী দূরে থাকবে না যখন আপনি এইগুলো বাদদিয়ে ক্রমাগত আপনার সফলতার সোপান গড়ে তুলবেন। কিছু পেতে হলে নাকি কষ্ট করতে হয়। কষ্ট করে এই বদগুনগুলো তাড়াতে হবে, যদি আপনি একজন সফল ট্রেডার হতে চান।

শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৩

ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক খবর ও অন্যান্য ইভেন্ট সমূহ কিভাবে ফাইনান্সিয়াল মার্কেটকে প্রভাবিত করে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের মাধ্যমে আমরা তা বুঝতে পারি। ফরেক্স ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস হলো কোনো দেশ বা অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার বিশ্লেষনের মাধ্যমে ঐ দেশ বা অঞ্চলের মুদ্রার supply ও demand এর অবস্থাকে বুঝতে চেষ্টা করা। ফরেক্স মার্কেট অত্যান্ত গতিময় এবং পরিবর্তনসীল। মার্কেট price সর্বদাই পরিবর্তিত হতে থাকে, এই পরিবর্তন বোঝার জন্য মার্কেট এনালাইসিস খুবই গুরত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে টেকনিক্যাল এনালাইসিস সাহায্য করে থাকে, কিন্তু অর্থনৈতিক বিভিন্ন মৌলিক বিষয় সমূহই মূলতঃ মার্কেটের দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তনশীলতা নির্দেশ করে থাকে যা আমরা ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের মাধ্যমে বুঝতে পারি। আমরা অনেকটা এভাবে দেখতে পারি, ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস হলো একটি ক্যানভাস এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস হলো ওই ক্যানভাসের রঙ। এই দুয়ের সম্মিলনে যখন কেউ মার্কেটকে বুঝতে চেষ্টা করবে সে মার্কেটকে খুব ভালভাবে বুঝতে পারবে, যা তার ট্রেডিং এর সফলতাকে বহুগুন বৃদ্ধি করবে।

Fundamental analysis এর সাধারণ ধারনা হলো, যদি কোনো দেশের বর্তমান বা ভবিষ্যত অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল হয় তাহলে তার currency ও শক্তিশালি হবে। একটি শক্তিশালি অর্থনৈতিক অবস্থা বিদেশি ইনভেষ্টরদেরকে আর্কষণ করে। যখন কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল হতে থাকে তখন স্বাভাবিকভাবেই ঐ দেশ তার মূল্যস্ফিতি সহ আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য Interest rate বৃদ্ধি করে থাকে, উচ্চ interest rate বিদেশি ইনভেষ্টরদেরকে আকৃষ্ট করে থাকে। অধিক মুনাফার আশায় বিদেশি ইনভেষ্টরগন ঐ দেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে আগ্রহী হন। এর ফলে যখন বিদেশি ইনভেষ্টরগন ঐ দেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাইবেন তখন তাদেরকে অবশ্যই ঐ দেশের মুদ্রা কিনতে হবে। যা স্বাভাবিকভাবেই supply এবং demand এর মাঝে পার্থক্য তৈরি করবে। শক্তিশালি ও দ্রুত বর্ধনশীল দেশ সমূহ তাদের মুদ্রার প্রচন্ড demand বা চাহিদার চাপ অবুভব করে থাকে, কিন্তু চাহিদার অনুপাতে পর্যাপ্ত supply বা সরবরাহ দেয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে ওই currency এর মূল্যমান বৃদ্ধি পায়। উদাহরণস্বরুপঃ যদি অষ্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালি হতে থাকে, তাহলে অন্যান্য currency এর তুলনায় অষ্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্যমান বৃদ্ধি পাবে।

কোন দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিভিন্ন ঘটনাবলিও ওই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। তাই ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের ক্ষেত্রে এই সব বিষয়ের প্রতিও বিশেষ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।


Economic Indicator:

প্রত্যেকটি দেশ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর economic data release করে থাকে। এই সকল অর্থনৈতিক সূচক বা ইন্ডিকেটর সমূহ সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি এবং বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্টান সমূহ প্রকাশ করে থাকে, যার মাধ্যমে কোনো দেশের অর্থনীতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করা যায়। ইকোনোমিক ইন্ডিকেটর সমূহ কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বুঝতে সাহায্য করে থাকে। কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবররতনের ফলে এর currency value ও পরিবর্তিত হয়। তাই এটা খুবই স্বাভাবিক যে ফাইনান্সিয়াল মার্কেটের সাথে জড়িত প্রায় সকলেই ইকোনোমিক ইন্ডিকেটর এর প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখেন।

ইকোনোমিক ইন্ডিকেটর মার্কেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে, তাই কোন ইন্ডিকেটর মার্কেটে কি ধরনের প্রভাব ফেলে, ইন্ডিকেটর সমূহ কিভাবে analyze করতে হয়, কিভাবে তা সার্থকভাবে প্রয়োগ করতে হয় এগুলো জানা ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে, একটি ইন্ডিকেটরের শুধুমাত্র numerical value ই গুরুত্বপূর্ন নয় বরং upcoming ইন্ডিকেটরটি সম্পর্কে প্রত্যাশা (anticipation and forecast) এবং মার্কেটে প্রত্যাশা ও actual value এর মধ্যে সম্পর্কের যে Impact তাও গুরুত্বপূর্ন। ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য রিলিজ হওয়া সকল ইন্ডিকেটরই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ন নয় এবং সব ইন্ডিকেটর ফাইনান্সিয়াল মার্কেটে সমান প্রভাব ফেলে না। কিছু মেজর ইন্ডিকেটর যা ফরেক্স মার্কেটকে চালিত করে – Gross domestic product (GDP), Interest rate, Producer Price Index (PPI), Consumer Price Index (CPI), Retail Sales Index (RSI), Employment strength (Non farm Payrolls) । কোন ইন্ডিকেটর কি ধরনের প্রভাব ফেলে তা High, Medium এবং Low দ্বার চিহ্নিত করা হয়।

যেহেতু ইকোনোমিক ইন্ডিকেটরগুলো কোনো দেশের অর্থনীতির সূচক, তাই এগুলো বোঝার জন্য কি অর্থনীতিবিদ হওয়া প্রয়োজন? উত্তর হলো "না"। ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য এই সকল ইন্ডিকেটর বুঝে ট্রেড করার জন্য কিছু simple guideline মনে রাখা প্রয়োজন। Economic indicator এর খুঁটি-নাটি সকল বিষয় জানা থাকার তেমন প্রয়োজনীয়তা নেই। মূলতঃ ট্রেডিং এর জন্য indicator গুলো সম্পর্কে কিছু basic ধারনা রাখাই যথেষ্ট, যেমনঃ indicator টি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, এটি মার্কেটে কি ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে ইত্যাদি। অভিজ্ঞ ট্রেডারগন সবসময় key indicator গুলোর প্রতি নজর রাখেন যা মার্কেটে অধিক প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরুপঃ অনেক নতুন ট্রেডারগনই employment report এর headline এর উপর দৃষ্টি রাখেন, সাধারনভাবে এটা সত্য তে অধিক নতুন job এর সুযোগ তৈরি হওয়া economic growth এর জন্য খুবই ভালো। কিন্তু ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে non-farm payroll এর প্রতিই ট্রেডারগন অধিক মনোনিবেশ করেন, যেহেতু মার্কেটে এর অনেক বড় impact হয়। Similarly, PPI measures changes in producer prices generally - but traders tend to watch PPI excluding food and energy as a market driver. Food and energy data tend to be volatile and subject to revisions to provide an accurate reading on producer price changes.


কিছু গুরুত্বপূর্ন ইন্ডিকেটরের লিষ্ট যা মার্কেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেঃ

ছবি পোস্ট করা হয়েছে
ছবি পোস্ট করা হয়েছে
ছবি পোস্ট করা হয়েছে
ছবি পোস্ট করা হয়েছে
ছবি পোস্ট করা হয়েছে

উপরের লিষ্টটি নেয়া হয়েছে Forexabode.com থেকে। অনেক চেষ্টা করেও চার্টটি একসাথে দিতে পারলাম না, তাই ভেঙ্গে ভেঙ্গে image আকারে দিলাম। Economic indicator সম্পর্কে আরো জানতে দেখুনঃ Esey forex | Forex realm


Economic Indicator release হওয়ার সময়ঃ

ছবি পোস্ট করা হয়েছে



Economic calendar:

প্রত্যেক ট্রেডারের হাতের কাছে একটা economic indicator রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ন। এটা ভাল ট্রেডিং-এ সাহায্য করবে এবং actual news release হওয়ার সময়ে অপ্রত্যাসিত price action এরও ব্যখ্যা করবে। High impact data release হওয়ার সময় জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারন যখন Actual news release হয় তখন মার্কেট প্রচন্ড রকম volatile হয়। Release হওয়া news টি বুঝতে না পারলে বা News trading এ অভিজ্ঞ না হলে, এই সময়ে ট্রেডিং না করাই ভাল। News release হওয়ার সময়ে মার্কেটের volatility নির্ভর করে “Factor of surprise” এর উপর, যা ঐ News টি বহন করে থাকে। “Factor of surprise” হলো level of unexpectedness অর্থাৎ release হওয়া news এর actual data এবং forecast বা প্রত্যাশা এর মধ্যে যে বড় রকমের পার্থক্য থাকে সেটাই level of unexpectedness. যদি কোনো release হওয়া News এর Actuall data এর সাথে অর্থনীতিবিদ্গন যা আশা(forecast) করেছিলেন তার সাথে বড় ধরনের পার্থক্য(Factor of surprice) তৈরী হয় তাহলে তা মার্কেটের volatility এর কারন হতে পারে। Medium impact economic data সমূহের প্রতিও বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন, যেহেতু “factor of surprise” এর কারনে তা High impact এ পরিনত হতে পারে। Low impact data বেশির ভাগ সময়েই মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না।

একটি Economic calendar এ বেশ কিছু data থাকে, যেমনঃ Name of indicator, release time, details, impact type, previous data, Forcast data, এবং Actual data.
“Previous” column এ ঐ indicator এর সর্বশেষ release হওয়া previous data থাকে। “Forcast” column এ economist গন কিছুক্ষনের পরে release হবে এমন Indicator সম্পর্কে যে অনুমান ও প্রত্যাশা করে থাকেন সেই data উল্লেখ করা হয়। “Actual” column এর data শুধুমাত্র তখনই update করা হয় যখন finally সেটা release হয়।

Economic News impact – increased market volatility – সাধারনতঃ ৩-৫ মিনিট স্থায়ি হয় (highest volatility), তারপরের ৫-১০ মিনিট সাধারণত corrective/adaptive volatile থাকে এবং এরপর price settle হয় ও নতুন দিকে move করতে শুরু করে।
Forex Factory Economic Celander


কিছু বিষয় যা News trading এর ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজনঃ

১। যদি আপনি News trading নাও করেন, তবুও কখন কোন News release হবে তা জানা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এর ফলে মার্কেটের volatility বোঝা সহজ হবে এবং News impact এর কারনে সৃষ্ট অপ্রত্যাসিত volatility এর জন্য বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে সহজেই বেঁচে থাকা যাবে। বস্তুতঃ অনেক ট্রেডারই economic news release এর সময় trade করা পছন্দ করেন না।
২। কোনো News release হওয়ার পূর্বে মার্কেট যত কম move করবে, news release হওয়ার পরে মার্কেট অধিক অস্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনাও ততো বাড়বে। অনেকটা যেমনঃ সবাই একটি বোম ব্রাষ্ট হওয়ার অপেক্ষা করছে, ফোটার আগে চারদিক কেমন থমথমে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। আর বোমাটি ফাটার সাথে সাথে চারদিক প্রচন্ড অলোরিত হয়।
৪। যদি কোনো News কোনো রকম “surprise” বা unexpected data বহন না করে, তাহলে অনেক সময়েই ফরেক্স মার্কেটে তেমন reaction দেখা যায় না।